৮ম শ্রেণীর ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

 

৮ম শ্রেণীর ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১




৮ম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dshe.gov.bd -এর প্রকাশ করা হয়েছে । ২০২০ সালের মত এ বছরও ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।  চলুন, অষ্টম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জেনে নেই।


৮ম শ্রেণীর ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

প্রতি সপ্তাহের শুরুতে ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্দিষ্ট কিছু কাজ দেওয়া হবে যা শিক্ষার্থীদের শেষ করে সপ্তাহের শেষের দিক স্কুলে জমা দিতে হবে। প্রতি সপ্তাহ শুরুর ০২ দিন পূর্বে এভাবে বিভিন্ন বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট ধারাবাহিকভাবে দেওয়া হবে। এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমেই অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়ে নতুন এ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীরা চাইলে Online থেকেও নিতে পারবে আবার স্কুল থেকেও নিতে পারবে।


৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান

অষ্টম শ্রেণীর ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ৩০ মে ২০২১ তারিখে  প্রকাশ করা হয়েছে । পঞ্চম সপ্তাহে দুটি বিষয়ের উপর নির্ধারিত কাজ জমা দিতে হবে । নিচে এসাইনমেন্টের প্রশ্ন  ও উত্তর দেওয়া হল :

 ৮ম শ্রেণী বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান

‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শিরােনামে ৫০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা।

উত্তর:

বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ

ভূমিকা :   হাজার  হাজার বছরের বাঙালি জাতির ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯২০-১৯৭৫) শ্রেষ্ঠতম একজন  বাঙালি । গণতান্ত্রিক মূল্যচেতনা, শােষণ মুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা- এ ত্রিমাত্রিক বৈশিষ্ট্যই অধিকারি হলো  বঙ্গবন্ধুর জাতীয়তাবাদী ভাবনার মূল কথা । বাংলাদেশের  কথা বলতে গেলেই  অনিবার্যভাবে চলে  এসে যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা ।

জন্ম ও পরিচয় : ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ মধুমতির তীরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায়  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন। আসলে  যার জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন  এই রাষ্ট্রের জন্ম  হয়তো হতাে না। এই সেই মানুষ  যার হাত ধরে বাঙালি জাতি দীর্ঘ সংগ্রামের পরিক্রমায় ২৪ বছরের পাকিস্তানি শাসকদের অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে এবং  ছিনিয়ে এনেছিলেন একটি লালও  সবুজের পতাকা। স্বাধীন-সার্বভৌম নামে  বাংলাদেশ। তার পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং  মাতার নাম সায়েরা খাতুন । দুই ভাই এবং চার বােনের মধ্যে তিনি পিতা-মাতার বড়  সন্তান।

শিক্ষাজীবন: মাত্র ৭ বছর বয়সে ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে শেখ মুজিবুর গিমাডাঙ্গ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভর্তি হন। সেখানেই  তার প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন হয়।এর পর ১৯২৯ সালে তিনি ভর্তি হন গােপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে । তারপর ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ গােপালগঞ্জ মিশনারি হাইস্কুলে বঙ্গবন্ধু সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন। সেই স্কুল থেকেই ১৯৪২ সালে নাগাদ তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন । তারপর উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং এবং ১৯৪৭ সালে তিনি বি.এ পাস করেন। ওই বছর ভারত বিভাগের পর শেখ মুজিবুর আইন অধ্যায়নের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হন ।

রাজনৈতিক জীবন : রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর এর জীবন কাহিনী অত্যন্ত চমৎকার ও  বর্ণময় । তিনি ছিলেন খুবই ভাল মানুষ। তিনি তার জীবদ্দশায় মােট তিনটি দেশের নাগরিকত্ব ভােগ  করেছেন । প্রথমটি হলো  ব্রিটিশ ভারত, এবং  দ্বিতীয়টি পাকিস্তান রাষ্ট্র,  তৃতীয়টি এবং সবচেয়ে উল্লেখযােগ্য ভাবে তার নিজের প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র। কৈশােরকাল থেকেই তিনি মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে ছিলেন সোচ্চার এবং একনিষ্ঠা । ৪৮ এবং  বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, চুয়ান্নর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আটান্নর সাময়িক শাসনবিরােধী আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ছিষট্টির ছয় দফা, ঊনসত্তরের মহান গণঅভুত্থান সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের গােরবােজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধ- বাঙালির প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি সব সময়  পালন করেন নেতৃত্বের ভূমিকা ।

মুক্তিযুদ্ধ সংঘটনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা : বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রধান শক্তির -উৎস ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানুষের অধিকারের  পক্ষে তিনি ছিলেন সব সময়  বজ্রকণ্ঠ। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের  তার ভাষণ একটি জাতিকে জাগ্রত করেছে, করেছে উৎসাহিত এবং  সবাইকে মিলিয়েছে এক মােহনায়, সবাইকে করে তুলেছে স্বাধীনতামুখী- এমন ঘটনা বিশ্ব-ইতিহাসে খুবই  বিরল। ৪ বছরের অপেক্ষার শেষে ৭ মার্চের ভাষণ গােটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে স্বাধীনতার স্বপ্নেকে এবং  মুক্তির সংগ্রামে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ এ সূত্রেই অনন্য অতুলনীয় ঐতিহাসিক ভাষন বলে বিবেচিত ।যার একটি ভাষণ ছিল একটি জাতিরাষ্ট্র এবং  নির্মাণের মূল  শক্তি ও রাজনৈতিক দর্শন ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ: বাংলাদেশ এমনই এমনই স্বাধীন হয় নাই।অনেক মানুষের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে।১৯৭১ সালের মার্চ মাসে তদানীন্তন প্রথম  রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান ঢাকায় আসেন।  তার নির্দেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা চালানাের পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকে । ২৫ শে মার্চ রাত  ১২ টা  ২০  মিনিটে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার   ঘােষণা করেন ।তার কিছু ক্ষণের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করে। তার পরদিনই  রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খান সামরিক  ভাবে আইন জারি করে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘােষণা করে দেয়  এবং সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ব্যাপক হত্যা  যজ্ঞ শুরু করে।


বিশেষ করে তারা  হিন্দুদের কে লক্ষ্য করে সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে রাজাকার, বাহিনীর সহযােগিতায় ব্যাপক  হত্যা যজ্ঞ চালায় তার সাথে দমন-পীড়ন ও  শুরু করে বাঙালির উপর। অন্যদিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ও পুলিশ রেজিমেন্টে কর্মরত বাংলার সদস্যগণ বিদ্রোহ ঘােষণা করে মুক্তি আন্দোলনের উদ্দেশ্যে গঠিত মুক্তিবাহিনীতে যােগ দান করতে থাকে। এই সময়  মুজিবনগরে প্রতিষ্ঠিত অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। এই মুক্তিবাহিনী এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধটি একপর্যায়ে  বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, রূপে পরিচিত লাভ করে ।  তারপর ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে  নাগাদ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সরকারের যােগদানের পর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযােদ্ধা এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বাংলাদেশের  বাঙালির স্বাধীনতা লাভ করে । শেখ মুজিবুর তখন  করাচির কারাগার থেকে মুক্তি পায় এবং  দিল্লি হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের ঢাকায় ফিরে আসে। এরপর রেসকোর্স ময়দানে প্রায়  ৬ লাখ মানুষের সামনে বক্তৃতা দেন ।


ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড :  ইতিহাসের এক বিরাল ঘটনা, যে দেশকে স্বাধীন করার জন্য যিনি এতো  কষ্ট সজ্জ করেছেন।  তিনি আজীবন লড়াই করেছেন,  সেই দেশেরই একদল সেনা কর্মকর্তার হাতে  তালে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট  ধানমন্ডি রাষ্ট্রপতি ভবনে বঙ্গবন্ধু তার সম্পূর্ণ পরিবার এবং সকল ব্যক্তিগত কর্মচারীসহ নিহত  হতে হয়েছে। তাকে  নিজের জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ায়  কবরে চিরশয্যায় শায়িত আছেন ।


উপসংহার : বঙ্গবন্ধু  সব সময়  স্বপ্ন দেখেছেন ক্ষুধা ও অসহায়  দারিদ্রমুক্ত অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক মানবিক বাংলাদেশের।তিনি চেয়েছেন দেশের  সব মানুষ যেনো খেয়ে পরে বাচতে পারে। সবাই যেনো স্বাধীন ভাবে বাচতে পারে। তবে বঙ্গবন্ধুর সে স্বপ্ন এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তার সুযােগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুতগতিতে আস্তে আস্তে  উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে । এগিয়ে যেতে হবে আরও অনেক  অনেক দূর। বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের সেই  সােনার বাংলা দেখার  স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে হলে, আবশ্যই  শােষণমুক্ত অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।  প্রকৃত দেশপ্রেম নিয়ে সচেতনতার সাথে  আমাদের এগিয়ে যেতে হবে ।  তবে সেটাই হবে বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের  প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের শ্রেষ্ঠ উপায় । 



জীবন ও কর্মমূখী শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান


ক. বিদ্যালয়ের পাঠাগারে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করছে। খ. শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করছে। গ. শ্রেণিতে শিক্ষক পাঠদান করছে। ঘ. শিক্ষক বই বিতরণ করছেন।


এই চারটি চিত্র অংকন করে কোনটি কায়িক শ্রম ও কোনটি মেধাশ্রম এবং কেন?


উত্তর:


  মেধাশ্রম


সাধারণত মানুষ তার যে কোনো কাজে জন্য  চিন্তা-চেতনা, বুদ্ধি ও মেধা ব্যাবহার করে থাকে, এবং এইসব  করায় যে শ্রম  মানুষ দিয়ে থাকে   তাকে মেধাশ্রম বলে। অর্থাৎ যে শ্রমে  শারীরিক কোন ঘাম ঝরে না তাকে মেধাশ্রম বলে। যেমনঃ সরকারি বেসরকারি দাপ্তরিক (অফিসিয়াল) কাজ, কম্পিউটার। গল্প লিখা,  প্রগ্রামিং, বই লেখা, ফ্রি ল্যান্সিং, শিক্ষকতা, পড়ালেখা করা, সাংবাদিকতা, আইন পেশা এবং গান লেখা ইত্যাদি হলো  মেধাশ্রম।


শারীরিক বা কায়িকশ্রম


মানুষ তার শারিরীক শক্তি দিয়ে কোনাে কাজে যে শ্রম দেয় তাই শারীরিক শ্রম বলে । আবার যে শারিরীক ভাবে যে শ্রম করা হয় তাকে ও শারীরিক শ্রম বলে। যেমনঃ শ্রমিক, লেবার,  ড্রাইভার, মেশিন অপারেটর, কুলি, মিস্ত্রি, কামার, কুমার, মুচি, নাপিত, ধােপা ইত্যাদি শ্রেনীপেশার মানুষের শ্রমই কায়িক শ্রম বা শারিরীক শ্রম।


 জীবনে বেঁচে থাকার জন্য  মানুষকে মানসিক ও শারীরিক দুই প্রকার শ্রমকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে ।  মানসিক শ্রম  আসলে মূলত কাজের প্রেরণা যােগায়  এবং  শারীরিক শ্রম তা সমাধান করতে সাহায্য করে থাকে।


নিম্নে চারটি ঘটনার চিত্র অঙ্কন করে এগুলর কোনটি কী ধরনের শ্রম তা ব্যাখ্যা করা হলােঃ


ক. বিদ্যালয়ের পাঠাগারে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করছে।


বিদ্যালয়ের পাঠাগারে শিক্ষার্থীরা  পড়ালেখা করছে। এতে  করে তাদের শারীরিক  কোনো  পরিশ্রম হচ্ছে না।  কারন তারা কেবল চেয়ারের উপর বসে তাদের মেধা দিয়ে ও  মন দিয়ে বই পড়ছে। এতে তাদের মেধাই হচ্ছে শ্রম। এতে করে  তারা অনেক কিছু জানতে ও শিখতে  পারছে। কিন্তু শুধু বসে থাকার কারনে  কোনাে কায়িক পরিশ্রম হয় না,তবে  কিন্তু পড়ালেখা  করলে মস্তিষ্কে এক প্রকার শ্রমের সৃষ্টি হয় বা চাপের।  তাই বিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা পাঠাগারে পড়ালেখা করায় তাদের মেধা শ্রম হচ্ছে।


খ) শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষ পরিষ্কার করছে।


 সাধারণত শিক্ষার্থীরা  একটি শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করছে।  এতে করে  তাদের শারীরিক পরিশ্রম হচ্ছে। তারা ঝাড়ু অন্যান্য উপকরণ দিয়ে  হাত দিয়ে শ্রেণীকক্ষ পরিষ্কার করছে। যার ফলে   তাদের শক্তি খরচ হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের  শরীরের পেশি  গুলো চালনার প্রয়ােজন হয়। তবে এতে তাদের কোন মেধার  খরচ হয় না। তাই এটি  হলো কায়িক শ্রম।।


গ) শ্রেণীতে শিক্ষক পাঠদান করছেন।


শিক্ষক শ্রেণীতে  পড়াচ্ছেন,  এতে  করে তার  মেধাশ্রম হচ্ছে। পড়ানোর জন্য   শিক্ষকে অনেক কিছু জানতে হয়  এবং অনেক কিছু শিখাতে  ও হয় ।  তিনি মুখ দিয়ে কথা বলছেন এবং শিক্ষার্থীরা তা শুনছে। তাই তিনি কথা বলায় তার মেধা কাজে লাগাচ্ছেন। এতে  করে তাঁর মেধা শক্তিকে কাজে লাগছেন। তাই শ্রেনীতে শিক্ষকের পাঠদান করা হলো  মেধাশ্রম।


ঘ) শিক্ষক বই বিতরণ করছেন।


শিক্ষক বই শ্রেণীতে সবার মাঝে বিতরণ করছেন, এতে  করে তার শারীরিক পরিশ্রম করা  হচ্ছে। শিক্ষক বই হাতে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরন করছেন ফলে শারীরিক শক্তি কাজে লাগছে এবং  খরচ হচ্ছে। তবে কিন্তু  এতে তার কোন মেধা খরচ হচ্ছে না। তাই এটি  হলো কায়িক শ্রম।


উপরের চিত্রগুলাে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে যে,  কোনটি মেধাশ্রম আর  কোনটি  কায়িক শ্রম। বাস্তব জীবনে এবং সভ্যতার বিকাশে উভয় শ্রমই সমান এবং  সমান গুরুত্ব বহন  করে। কারন  এরা একে অপরের পরিপুরক। 





Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url