অষ্টম শ্রেণী ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১
অষ্টম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ | অষ্টম শ্রেণী এসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাওশি) এর ওয়েবসাইট dshe.gov.bd -এ প্রকাশিত করা হয়েছে।
কোভিড-১৯ এই মহামারির কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মত উপযুক্ত পরিবেশ এখনো তৈরী না হওয়ার কারণে এখনও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া পড়াশোনায় অব্যাহত রাখতে গত বছরের ন্যায় ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট/ নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়নের ব্যবস্থার নিদের্শ দেওয়া হয়েছে ।
চলুন, অষ্টম শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
অষ্টম শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১
অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২-৩টি বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হয়ে থাকে।প্রতি সপ্তাহের শুরুতে মাউশির ওয়েবসাইটে এ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয় এবং এ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে সপ্তাহের শেষে জমা দিতে হবে । এভাবে অষ্টম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করা হবে।
অষ্টম শ্রেণী ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর
অষ্টম শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের নির্ধারিত কাজ প্রকাশ করা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইটে । এই সপ্তাহে তিনটি বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছে
অষ্টম শ্রেণী ৬ষ্ঠ সপ্তাহের ইংরেজি এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান
প্রশ্নঃ
Our daily diet Your Daily Diet
1. Make a list of food items you take every day as breakfast, brunch( a meal between breakfast and lunch), lunch, afternoon teada small meal you can have in the afternoon) and dinner and, identity what kinds of food they are. For example-Protein, Carbohydrate etc.
2. Decide if your daily diet is balanced. If yes, give reasons.
3. If it’s not, explain why not.
উত্তর: উত্তর দেখুন এখানে
অষ্টম শ্রেণী কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট
প্রশ্নঃ
পল্লব যখন মামার বাড়িতে গিয়েছিল তখন কাজিনদের সাথে অনেক সুন্দর সময় কাটায় পল্লবের মামা কাজিনদের সহযােগিতায় বাড়ির আঙ্গিনায় সবজি চাষ করেছেন। সেখান থেকে টমেটো, বেগুন, আলু, ডাটা নিজ হাতে তুলে এনে পল্লবকে টাটকা সবজির সাথে পরিচয় করিয়ে | দিলেন। কিন্তু পল্লবের নজরে এলাে সবজি বাগানের কোন কোন গাছের পাতায় বাদামী ও কালাে দাগ ফুটে উঠেছে, একটা | বেগুন গাছ ঢলে পড়ে আছে এবং আলু গাছের পাতায় ঝলসানাে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। পল্লব উক্ত সমস্যাগুলাে নিচের প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে কীভাবে সমাধান করতে পারে-
৩। গাছের পাতায় বাদামী, কালাে বর্ণের দাগে গাছের কি ক্ষতি হয়?
৪। এ ধরণের পরিস্থিতি থেকে কীভাবে গাছের রােগ প্রতিরােধ করা যায়?
উত্তর :
প্রথমে যদি ফসলের মধ্যে শারীরিক অথবা অস্বাভাবিক কোন অবস্থা দেখা যায়। তখনই বুঝতে হবে ফসলের কোন না কোন রােগ হয়েছে। যেমন- ফসলের ঠিকমতাে বৃদ্ধি হচ্ছে না,দেখতে দুবর্ল দেখাচ্ছে ও লিকলিকে , ফুল অথবা ফল ঝরে পরছে। এসব নানা লক্ষণের কারনে ফসলের রােগ প্রকাশ পায় বা দেখা যায় । আবার ভিন্ন ভিন্ন ফসলের ভিন্ন ভিন্ন রােগ হয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্ন লক্ষণও দেখা দেয়।
১/ গাছের পাতা ঝলসে যাওয়ার কারণ
জীবের বা উদ্ভিদের আশেপাশে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়াসহ আরাে নানা রকমের অনুজীব আছে। যারা শুধু কেবল মাত্র ফসলের রােগ-বালাই ছড়ায়। উদ্ভিদের ধ্বসা রােগের কারণে উদ্ভিদের পাতা ঝলসে যায়। যেমন- ধান ও আলুর ধ্বসা হয়ে থাকে রােগ।
২/ গাছের চারা ঢলে পড়ার কারণ-
অনেক সময় দেখা যায় ফসলের কান্ড এবং শিকড় রােগে আক্রান্ত হয়ে ফসলের শাখাগুলাে মাটির দিকে ঝুলে পড়ে। আর এই অবস্থাকে ঢলে পড়া রােগ বলে থাকে । যেমন- বেগুনের ঢলে পড়া রােগ।
৩/ গাছের পাতায় বাদামি, কালাে বর্ণের দাগে গাছের যে ক্ষতি করে।
অনেক সময় দেখা যায়, ফসলের পাতায়, কাণ্ডে বা ফলের গায়ে নানা ধরনের কালো কালো ছিটা ছিটা দাগ বা স্পট দেখা দেয়। দাগের রঙ কালাে হয়, আবার হালকা বাদামি, অনেক সময় গাঢ় বাদামি কিংবা দেখতে পানিতে ভেজার মতাে হয়। ফসলের এসব দাগ বিভিন্ন রােগের কারণে হয়ে থাকে । যার ফলে ফসলের বৃদ্ধি ঠিকমতাে হয় না, দেখতে অনেক দুর্বল ও লিকলিকে হয়, ফুল অথবা ফল ঝরে যায় এমনকি গাছ অনেক সময় মরে যায়।
তাই এ ধরনের পরিস্থিতি থেকে যেভাবে গাছের রােগ প্রতিরােধ করা যায়। রােগাক্রান্ত হওয়ার পূর্বে ফসলের রােগের প্রতিকারের ব্যবস্থা অবশ্যই নিতে হয়। কারণ, ফসল একবার রােগাক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকার করা খুব কঠিন। তাই রােগের প্রাদুর্ভাব ঘটার আগে নিচে উল্লিখিত প্রযুক্তিগুলাে ব্যবহার করা অনেক জরুরিঃ
# জীবাণুমুক্ত বীজ ব্যবহার করাঃ
অনেক সময় বীজের মাধ্যমে ও অনেক রােগ ছড়ায়। তাই কৃষককে নীরােগ বীজ সংগ্রহ করতে হবে, বা বীজ শােধন করতে বলতে হবে এবং পরামর্শ দিতে হবে।
#বীজ শােধনঃ
অনেক বীজ আছে তারা শুধু নিজেরাই রােগ বহন করে। বীজ বাহিত রােগ জীবাণু নিরােগ করার জন্য বীজ শােধন একটি উত্তম প্রযুক্তি। তাই ছত্রাক নাশক ব্যবহার করা হয়ে থাকে
#পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ফসল আবাদ করাঃ
ফসলের ক্ষেতে অনেক সময় আগাছা থাকলে ফসল রােগাক্রান্ত হয়ে। কারণ আগাছা অনেক রােগের উৎস হয় । তাই আগাছা পরিষ্কার করে চাষাবাদ করতে হবে।
# রােগাক্রান্ত গাছ পুড়িয়ে ফেলা বা মাটিতে পুঁতে ফেলাঃ
অনেক সময় দেখা যায় এক গাছ রােগাক্রান্ত হলে তা অন্য গাছেও খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যাতে করে রােগ পুরাে মাঠে বা গাছে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। এর জন্য নিদিষ্ট রােগাক্রান্ত গাছটি অবশ্যই তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।অথবা মাটি খুঁড়ে পুঁতে ফেলতে হবে।।
অষ্টম শ্রেণী গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এসাইনমেন্ট
প্রশ্নঃ
তােমার বয়স তের বছর, নিচের ছক অনুযায়ী তােমার ১ দিনের খাদ্য তালিকা (পরিমানসহ) তৈরি কর
বিভিন্ন শ্রেণির খাদ্য গ্রহনের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
প্রথমে পরিবারের সদস্যদের সুষম খাবার পরিবেশনের জন্য একটি মেনু তৈরির পরিকল্পনা করে নেওয়া উচিত । মেনু তৈরি করার পরিকল্পনার মাধ্যমে পুষ্টি সম্মিলিত আকর্ষণীয় খাবার পরিবেশন করা যায় ।
খাদ্য পরিকল্পনায় পুষ্টির বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় । কারণ পুষ্টির অভাবে শারীরিক বর্ধনে বেঘাত ঘটে এবং মেধা বিকাশ ব্যাহত হয় । খাদ্য খাতে খরচের বিষয় বিবেচনা করে তাই মেনু পরিকল্পনা করতে হয়।
খাবার যাতে একঘেয়ে না হয়ে যায়। সেজন্য বিভিন্ন ধরণের খাদ্যের সমাহার ঘটাতে হবে। আমার বয়স হচ্ছে তের বছর। আমি একজন কিশাের/কিশােরী । নিচে আমার ১ দিনের খাদ্য তালিকা পরিমাণসহ উপস্থাপন করা হলাে :
বিভিন্ন শ্রেণির খাদ্য | সকাল | দুপুর | বিকাল | রাত |
| ১. শস্য ও শস্য জাতীয় খাদ্য | ১ কাপ ভাত /২টি রুটি | ২কাপ ভাত | ১ কাপ মুড়ি / চিড়া। | ১ কাপ ভাত /২টি রুটি |
| ২. প্রােটিন জাতীয় খাদ্য | ১ টি ডিম / ১ কাপ ডাল | ১ কাপ ডাল বিকাল – ১/৩ কাপ বাদাম | ১ কাপ ডাল | |
| ৩, শাকসবজি | ১ কাপ সালাদ / ১ কাপ সবজি। | ১ কাপ শাক / ১ কাপ সবজি | ১ টা আলু | ১ কাপ শাক / ১ কাপ সবজি |
| ৪. ফল | ১ টি কলা | ১ টি পেয়ারা / ১ টি পেঁপে | ||
| ৫. দুধ ও দুধ জাতীয় খাদ্য: | ১ কাপ দুধ | ১ কাপ দুধ/১ কাপ দধি | ||
| ৬. তেল, ঘি : | ২চামচ তেল | ২চামচ তেল | ১ চামচ ঘি | ২চামচ তেল |
| ৭. মিষ্টি জাতীয় খাবার | ১ টি মিষ্টি /১ গ্লাস শরবত |
আমাদের দৈনিক অনেক কাজকর্ম, চিন্তা ভাবনা ও শারীরিক ভাবে অনেক পরিশ্রম করা হয়।আর এই জন্য দেহের ও ক্ষয় হয়, আর খাদ্য সেই ক্ষয়কে পূরণ করে। তাই আমাদের দেহের পুষ্টির জন্য খাদ্য একান্ত প্রয়ােজন। পুষ্টির অভাবে শারীরিক বর্ধন এবং মেধা বিকাশে ব্যাহত হয়।
খাদ্যদ্রব্য মানুষের জীবনের ভিত্তি ও প্রধান অবলম্বন হয় । ভালাে খাওয়া দাওয়া হলেই ভালাে স্বাস্থ্য, কর্মসামর্থ্য ও দীর্ঘ পরমায়ু লাভের উপায় হয়ে থাকে । কিন্তু ভালাে ভালাে খাদ্য খেলেও দেখা যায় অনেক সময় শরীরে নানা ক্ষেত্রে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় না । তাই খাদ্য সুষম (Well. Balanced) হওয়া প্রয়ােজন ।
শারীরিক ক্ষমতা ও দক্ষতা বজায় রাখার জন্য প্রতিদিন আমাদের খাদ্য তালিকায় ৬টি মৌলিক পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতি।
তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রয়ােজনীয় পুষ্টি উপাদান পেতে হলে মৌলিক খাদ্য গােষ্টির প্রতিটি গ্রুপ থেকে আমাদের বিভিন্ন ধরনের খাদ্য প্রতিদিনই নির্বাচন করে নিতে হবে।
প্রতিদিনই উদ্ভিজ্জ এবং প্রাণীজ উভয় উৎস থেকেই প্রােটিন গ্রহণ করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত একবার প্রাণীজ প্রােটিন গ্রহণ করতে হবে। খাদ্যের সঠিক রং ও আকৃতি, ভালাে করে রান্না এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার মুখে রুচি আনতে এবং খাদ্য গ্রহণের প্রতি আকৃষ্ট করতে পারে।
তাছাড়াও খাবার যাতে একঘেয়ে হয়ে না যায়। সেজন্যও বিভিন্ন আমাদের বিভিন্ন ধরনের খাদ্যের সমাহার এবং এর কারণেই আমাদের বিভিন্ন শ্রেণীর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে, এবং সুষম খাদ্য নির্বাচন করতে হবে।
