৬ষ্ঠ শ্রেণী ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

 

৬ষ্ঠ শ্রেণী ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনায় ব্যাস্ত রাখতে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত ধারাবাহিক এ্যাসাইনমেন্ট এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

৬ষ্ঠ শ্রেণী ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর


দীর্ঘদিন এ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ থাকার পর গত ২৪ মে ২০২১ তারিখে পূণরায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ৪র্থ এসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাউশি তাদের ওয়েবসাইটে ।ষষ্ঠ শ্রেণী ৫ম সপ্তাহে মোট ২টি বিষয়ের উপর নির্ধারিত কাজ দেওয়া হয়েছে। দুটি বিষয়ে এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে ।


আরো পড়ুন 


ষষ্ঠ শ্রেণী বাংলা এসাইনমেন্ট


বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন সহপাঠীর প্রতি তােমার। আচরণ কেমন হওয়া উচিত বা অনুচিত তা একটি ছকের মাধ্যমে তুলে ধর।


উত্তর:


যে সকল শিশুর ইন্দ্রিয় ক্ষমতা বৃদ্ধি বা শারীরিক ক্ষমতা এতটাই ভিন্ন যে কারণে তাদের জন্য সকল ক্ষেত্রে  বিশেষ শিক্ষা বা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়ােজন হয়, সেই সকল শিশুকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বলা হয়। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বলতে সেইসব শিশুদের বুঝায় সমবয়স্কদের তুলনায় যাদের বুদ্ধি, সংবেদন, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, ভাব বিনিময় ক্ষমতা ও সামাজিক ক্ষেত্রে উল্লেখযােগ্য মাত্রার কম বা বেশি হয় তাকেই ব্যতিক্রমী শিশু বলে আখ্যায়িত করা হয়।তারা অন্যান্য সাধারণ শিশু থেকে ভিন্ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ যারা সাধারণের বাইরে তারাই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু হিসেবে আখ্যায়িত।

আমার বিদ্যালয়ে আমার শ্রেনিতে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যে সকল সহপাঠী রয়েছে তাদের প্রতি আমার আচরণ যেরুপ হওয়া উচিত বা অনুচিত তা নিম্নে একটি ছকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হলাে:

৬ষ্ঠ শ্রেণী ৫ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর



উপরিউক্ত উচিত এবং অনুচিত পদক্ষেপগুলাে দেওয়া রয়েছে সেই সব গুলো সঠিক ভাবে পালন করতে পারলে সমাজ থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে বৈষম্য রয়েছে তা দূরীভূত হয়ে যাবে।



জীবন ও কর্মমূখী শিক্ষা এসাইনমেন্ট

একজন আত্মমর্যাদাবান মানুষ হিসেবে কোন কোন বৈশিষ্ট্য তােমার মধ্যে আছে? আর কি কি বৈশিষ্ট্য নিজের মধ্যে দেখতে চাও এবং কেন?

উত্তর:

আমরা নিজের সম্পর্কে যে বিচার, মতামত, বা নিজেকে যেভাবে মূল্যায়ন করি, সেটাই হলাে আত্মমর্যাদা। অন্যভাবে বললে, আমাদের সম্পর্কে নিজের যে আবেগীয় মূল্যায়ন এবং নিজের প্রতি নিজের যে দৃষ্টিভঙ্গি, নিজের প্রতি নিজের অনুভূতি, নিজেকে যেমন ভাবি সেটাই হলাে আত্মসম্মান বা আম্মুমর্যাদা।

আয়ুসৰ্ম্মী সারাজীবনের অভিজ্ঞতার আলােকে তৈরি হয়। অতীত অভিজ্ঞতাগুলাে যদি ইতিবাচক হয়, বা সঠিক অভিজ্ঞতা হয় তাহলে আমাদের মধ্যে উচ্চ আত্মসম্মানবােধ তৈরি হবে। আর যদি নেতিবাচক হয়, বা খারাপ হয় তাহলে নিম্ন আত্মসম্মানবােধ তৈরি হবে। অতীত এবং বর্তমান জীবনের সব আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্কগুলােও আত্মসম্মান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জীবনে চলতে ফিরতে প্রতিটি সম্পর্ক সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে পারা, দায়িত্বগুলাে সঠিকভাবে পালন করতে পারা প্রভৃতি আত্মসম্মানবােধ বৃদ্ধি করে।

একজন আত্মমর্যাদাবান মানুষ হিসেবে আমার মধ্যে যে সব বৈশিষ্ট্য আছে

  • আমি সদা সর্বদায় সত্য কথা বলি।কখনো কারাে সাথে মিথ্যা কথা বলি না
  • সর্বদা সবাইকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি এবং ছোটদের স্নেহ করি 
  • আমি এমন কোন কাজ করি না যাতে করে আমার সম্মান মর্যাদা ক্ষুণ্ণ  হয় সাথে সাথে সমাজের ক্ষতি হয় ৷
  • আমি পরীক্ষার সময় কখনো নকল করি না।
  • আমি কখনাে অন্যের জিনিস সেই ব্যক্তির অনুমতি ব্যতিত স্পর্শ করি না।
  • আমি আমার সহপাঠিদের সাথে কখনাে ঝগড়া বা মারামরি ও বকাঝকা করিনা। 
  • সমাজে কোন অন্যায় হতে দেখলে আমি ভদ্রভাবে বাধাঁ দেওয়ার চেষ্টা করি।
  • আমি আমার মর্যাদা সম্পর্কে সর্বদায় সচেতন থাকি।
  • আমি এমন কোন কাজ করি না যাতে আমার মর্যাদা কমে যায় বা সম্মান ক্ষুন্ন হয়।

যে সব বৈশিষ্ট্য আমার মধ্যে দেখতে চাই:

  • সবসময় দূর্নীতি থেকে মুক্ত থাকা
  • কর্মক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহন না করা।
  • সমাজের অসহায় গরিবদের সবসময় সাহায্য করা।
  • দেশের নাগরিক হিসেবে আমার দেশের নিয়ম শৃঙ্খলা মান্য করা৷
  • আত্মনির্ভর হওয়া।


এ্যাসাইনমেন্ট সমাপ্ত 





Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url