৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১


৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১


৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১

করোনার মহামারির কারণে প্রায় ১ বছর ধরে  দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে । করোনার পাদূর্ভাবের কারনে এখন পর্যন্ত উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী না হওয়ার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও খোলা সম্ভব হয়নি। কবে খুলা হবে তা এখনো নিশ্চিত না থাকার কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া যেন ব্যহত না হয় তাই গত বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ন্যায় এ বছরও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে। 


ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২-৩টি বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হতে পারে। কোন সপ্তাহ ২ টা কোন সপ্তাহ ৩ টা বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।  এ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে জমা দেওয়া পর পরবর্তী সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্ধারিত কাজ নিতে হবে। এভাবে ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করা হবে।


 ১ম সপ্তাহের ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট

১৬ মার্চ ২০২১ তারিখে ১ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়েছে । এই সপ্তাহে দুটি বিষয়ের উপর নির্ধারিত কাজ জমা দিতে হবে । নিচে এসাইনমেন্ট প্রশ্ন  ও উত্তর দেওয়া হল :



  • বাংলা এসাইনমেন্ট সমাধান

নিচের রচনাংশটুকু চলিত রীতিতে রূপান্তর কর:

তারপর স্বর্গীয় দূত পূর্বে যে টাকওয়ালা ছিল, তাহার কাছে গেলেন। সেখানে গিয়া আগের মতাে একটি গাভি চাহিলেন। সেও ধবল রােগীর মতাে তাহাকে কিছুই দিলনা। তখন স্বর্গীয়দূত বলিলেন, আচ্ছা, যদি তুমি মিথ্যা বলিয়া থাক, তবে যেমন ছিলে আল্লাহ তােমাকে আবার তেমনি করিবেন।

তারপর স্বর্গীয়দূত পূর্বে যে অন্ধছিল, তাহার কাছে গিয়া বলিলেন, আমি এক বিদেশি। বিদেশে আমার সম্বল ফুরাইয়া গিয়াছে। এখন আল্লাহর দয়া ছাড়া আমার দেশে পৌঁছিবার আর কোনাে উপায় নাই। যিনি তােমার চক্ষু ভালাে করিয়া দিয়াছেন, আমি তােমাকে সেই আল্লাহর দোহাই দিয়া একটি ছাগল চাহিতেছি; যেন আমি সেই ছাগল-বেচা টাকা দিয়া দেশে ফিরিয়া যাইতে পারি।


উত্তর : তারপর স্বর্গীয় দূত পূর্বে যে টাকওয়ালা ছিল, তার কাছে গেলেন। সেখানে গিয়ে আগের মতাে একটি গাভি চাইলেন। সেও ধবল রােগীর মতাে তাকে কিছুই দিলনা। তখন স্বর্গীয়দূত বললেন, আচ্ছা, যদি তুমি মিথ্যা বলে থাক, তবে যেমন ছিলে আল্লাহ তােমাকে আবার তেমন করবেন

তারপর স্বর্গীয়দূত পূর্বে যে অন্ধছিল, তার কাছে গিয়ে বললেন, আমি এক বিদেশি। বিদেশে আমার সম্বল ফুরিয়ে গিয়েছে । এখন আল্লাহর দয়া ছাড়া আমার দেশে পৌঁছানোর আর কোনাে উপায় নেই। যিনি তােমার চোখ ভালাে করে দিয়েছেন, আমি তােমাকে সেই আল্লাহর দোহাই দিয়ে একটি ছাগল চাচ্ছি; যেন আমি সেই ছাগল-বেচা টাকা দিয়ে দেশে ফিরে যেতে পারি।


  • ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান

তােমার চারপাশের নানা নিদর্শন উল্লেখসহ কালিমা তায়্যিবা ও কালিমা শাহাদাতের আলােকে আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদের উপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর।

উত্তর : আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদ।

একত্ববাদ শব্দটির আরবি হচ্ছে তাওহিদ। আল্লাহ তায়ালাকে এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে বিশ্বাস করাকে তাওহিদ বা একত্ববাদ বলা হয়। তিনি ব্যতীত ইবাদতের যােগ্য কেউ নেই তিনিই হলেন একমাত্র ইলাহ। আল্লাহ তায়ালার প্রতি এমন বিশ্বাস হলাে তাওহিদ। আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয়।

আমরা আমাদের চারপাশে নানা রকম জিনিস দেখতে পাই । সুন্দর সুন্দর ফুলফল গাছপালা তরুলতা পশুপাখি ইত্যাদি। এছাড়া রয়েছে নদী-নালা পাহাড়পর্বত বন-জঙ্গল সাগর-মহাসাগর। আরাে আছে বিশাল আকাশ চন্দ্র, সূর্য গ্রহ নক্ষত্র ইত্যাদি। আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না এমন অনেক বস্তু এবং প্রাণীও রয়েছে। এ সবকিছুই সৃষ্টিজগতের অন্তর্গত। এসব কিছুই নিপুণতার সাথে একজন সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি হলেন মহান আল্লাহ। তিনি হও (কুন) বলার সাথে সাথে সব কিছু সৃষ্টি হয়ে যায়। এসব কিছুকে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করার নামই তাওহীদ।

কালিমা তাইয়্যিবা
******
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ বা মাবুদ নেই।

অর্থাৎ পৃথিবীতে ইলাহ বা ইবাদতের ‘যােগ্য একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। তিনি ব্যতিত আর কেউ উপাস্য হতে পারে না। আরবি লা ইলাহা শব্দের অর্থ কোন ইলাহ নেই, আর ইল্লাল্লাহ অর্থ আল্লাহ ছাড়া। কালিমার এ অংশটি না-বােধক শব্দ দ্বারা শুরু হয়েছে। লা ইলাহা দ্বারা অন্তর থেকে সব রকমের ভুলভ্রান্তি দূর করতে হয় এবং ইল্লাল্লাহু দ্বারা আল্লাহ তায়ালার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা হয়।

কালিমা শাহাদাত
*******

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তিনি একক তার কোন শরীক নেই। আমি আরাে সাক্ষ্য দেই যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (স.) তার বান্দা ও রাসূল ।

**** চিহ্নিত জায়গায় কলেমাগুলো আরবীতে লিখে দিতে পারলে বেশী নম্বর পাওয়া যাবে।

এ কথার দ্বারা তাওহিদ বা একত্ববাদের সাক্ষ্য দেওয়া হয় অর্থাৎ আমরা এর দ্বারা। সাক্ষ্য দেই যে মহান আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তার কোন শরিক বা সমতুল্য নেই।ইবাদতের ক্ষেত্রে আমরা কাউকে তার শরিক করিনা।

আল্লাহ তায়ালা এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাস আমাদের মনের মধ্যে না থাকলে আমরা কোনদিনই মুমিন হতে পারব না। আল্লাহতালাই একমাত্র সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও রিজিকদাতা। তিনিই একমাত্র উপাস্য। তিনি সকল কিছুই সৃষ্টি করেছেন আমাদের জন্য। তাই আমাদের একমাত্র উপাস্য। তিনি সকল কিছুই সৃষ্টি করেছেন আমাদের জন্য। তাই আমাদের সকলের উচিত তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। আল্লাহ তাআলার আনুগত্য ও ইবাদত করা।

  • হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান

জীবে প্রেম করার মধ্য দিয়ে কিভাবে ঈশ্বরের সেবা করা যায় তা তােমার অথবা তােমার। পারিবারিক জীবনের জীব সেবার কোনাে অভিজ্ঞতা বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন কর।

উত্তর :
ঈশ্বর সর্বশক্তিমান।তার মধ্যে রয়েছে | অসীম শক্তি।তিনি শাশ্বত,নিত্য ও অবিনশ্বর।তিনি সকল জীবের মধ্যে আত্মারূপে অবস্থান করেন।তাই জীব সেবা করলেই ঈশ্বরের  সেবা করা হয়।

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন

“বহুরূপে সম্মুখে তােমা ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর,
জীবে প্রেম করে যেইজন,সেইজন সেবিছে ঈশ্বর।”

জীব সেবার প্রয়ােজনীয়তা

প্রতিটি জীবের মধ্যেই ঈশ্বরের বাসাঈশ্বর আত্মারূপে জীবের মধ্যে অবস্থান করেন।জীবকে অবহেলা করা মানে ঈশ্বরকে অবহেলা করা।জীবের ক্ষতি করা মানে ঈশ্বরের ক্ষতি করা। তাই ঈশ্বরের সন্তুষ্টি ও তার কৃপা লাভের জন্য আমাদের তার সৃষ্ট প্রত্যেকটা জীবকেই ভালােবাসতে হবে।একজন প্রকৃত ভক্ত সর্বজীবে দয়া করে। শুধু ঈশ্বরের সন্তুষ্টিই নয় বরং মানুষ হিসেবেও আমাদের জীবের প্রতি একটা দায়িত্ব রয়েছে। জীব সেবার প্রয়ােজনীয়তা ব্যাপক তবে প্রয়ােজনীয়তা দেখে নয় বরং মানবিক গুণাবলি থেকেই আমাদের জীব সেবা করা উচিত।

জীবসেবায় আমার অভিজ্ঞতা

জীবের সেবা করলে ঈশ্বর সন্তুষ্ট হােন। ঈশ্বরের সন্তুষ্টি অর্জন করা একজন ভক্ত হিসেবে আমাদের প্রধান কর্তব্য। সেদিক দিয়ে আমার জীবসেবার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার মধ্যে একটি অভিজ্ঞতা সত্যিই আমাকে গর্বিত করেছে। ভােরে ঘুম থেকে উঠে হাঁটাহাঁটির অভ্যাস রয়েছে আমার। সেদিনও বরাবরের মতাে হাঁটতে বেরিয়েছি। হঠাৎ রাস্তার পাশের বনের ঝােপে কিছু একটার নড়াচড়ার আওয়াজ পেলাম। কৌতুহল বশত কাছে গেলাম দেখার জন্য। দেখতে পেলাম দুটো কুকুর ছানা ও পাশেই তাদের মা মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মা কুকুরটার শরীরে মাংস প্রায় নাই বললেই চলে। হয়তাে অনেকদিন কিছু খায় নি তাই শেষে বাচ্চাদের রেখেই না ফেরার দেশে চলে যেতে হলাে। পিঠের মধ্যে একটা লাটিকাঘাতের গভীর চিহ্নও দেখতে পেলাম। কেউ খুব জোরে লাটি দিয়ে পিঠে আঘাত করেছে এটা স্পষ্ট।

যেই এই কাজটা করেছে মােটেও ভালাে করে নি। অন্যায় কাজ করেছে।কোনাে জীবকেই এভাবে আঘাত করা উচিত নয় কারন জীবের মধ্যেই ঈশ্বরের বাস। একদিকে জীব হত্যা আর অন্যদিকে হাজার ঈশ্বর আরাধনা করলেও ঈশ্বরের সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব নয়ামা কুকুরটার জন্য আমার খুব কষ্ট লাগলাে। ছানাগুলােও দূর্বলভাবে পাশে পড়ে রয়েছে।

মা ছাড়া ওদেরও এই প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে। থাকা সম্ভব নয়। ওরা যখন পৃথিবীর আলাে দেখেছে তাহলে সেই আলােতে বেঁচে থাকারও ওদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তাই আমি মনােবল দৃঢ় করে সিদ্ধান্তটা নিয়েই নিলাম। আমি কুকুর ছানা দুটিকে আমার সাথে করে বাড়িতে নিয়ে এলাম। আর ওদের মা কে ওই ঝােপের পাশেই মাটিতে গর্ত করে ঈশ্বরের নামে সমাহিত করলাম।

বাড়িতে আনার পর ছানা দুটোকে আমার ঘরেই রাখলাম। ওদের পূর্ণাঙ্গ যত্ন নিলাম আমি। যতটা সম্ভব পারা যায় ওদেরকে সময় দিলাম। ওদেরকে নিজের হাতে খাইয়েও দিতে লাগলাম। প্রতিমাসের টিকার কোর্স সম্পন্ন করলাম। ধীরে ধীরে ওরা বড় হতে লাগলাে। দৌড়াদৌড়ি,লাফালাফি এবং ডাকাডাকি করতে লাগলাে  দিনের বেশিরভাগ সময়ই ওদের সাথে কেটে যেত আমার। আমি রাম-সাম বলে ডাকলেই ওরা দৌড়ে চলে আসতাে যেন আমিই ওদের মা-বাবা আর ওরা আমারই বাচ্চা।

এভাবে দিন যেতে লাগলাে। ওরাও আমার ও আমার পরিবারের ছত্রছায়ায় বড় হতে লাগলাে। এখন ওরা সম্পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক দুটো কুকুর। একদম যেন দুই জমজ ভাই। আমাদের বাড়ি পাহারার দায়িত্ব ওরা নিজে থেকেই নিয়ে নিয়েছে। আমাকে দেখলেই কার আগে কে আমার কোলে এসে উঠবে সেটা নিয়ে দুজনেই বেশ ব্যাস্ত হয়ে পড়ে।

আমিও ওদেরকে বাঁচাতে পেরে খুব খুশি। সেদিন যদি আমি ওদের নিয়ে না আসতাম এবং পরিপূর্ণ যত্ন না করতাম তাহলে হয়তাে ওরা অবহেলায় মারাই যেত। কিন্তু ওদেরকে আমি বাঁচাতে পেরেছি এবং একইসাথে ওদের একটা আনন্দঘন পরিবেশও দিতে পেরেছি। সেজন্য আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ।

আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিজের সাধ্যমতাে জীবের সেবা করা। যদি জীব সেবা নাও করতে পারি তাও আমাদের দ্বারা যেন কোনাে জীবের ক্ষতি না হয় সেদিকে সচেষ্ট থাকতে হবে। যখন এই পৃথিবীটা হয়ে উঠবে জীব প্রেমের ক্ষেত্র তখনই ঈশ্বর স্ব-ইচ্ছায় নেমে আসবেন এই ধরাধামে। তাই জীব হত্যা নয়,জীব প্রেমই করণীয়।

 

  • বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান

তােমার দুই বন্ধু সকাল ৯টায় স্কুলে। যাওয়ার পথে দেখলাে একজন বৃদ্ধ লােক হঠাৎ মাথা ঘুরিয়ে রাস্তায় পড়ে গেল। অন্য দুইজন পথচারী তাকে উঠিয়ে সেবা করতে লাগলাে। এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে জীবপ্রেম বিষয়ক একটি প্রবন্ধ তৈরি করাে। (২০০ শব্দ)
সংকেত : (ক) ঘটনার স্থান ও সময়  (খ) উক্ত ঘটনায় পথচারীদের ভূমিকা | (গ) ঘটনা দর্শনে পাঠ্যবিষয়ের আলােকে তােমার অনুভূতি প্রকাশ । (ঘ) জীবের জন্য তােমার করণীয়

উত্তর : খুব শীঘ্রই দেওয়া হবে ।

  • খ্রিষ্টধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধা

ঈশ্বর আত্মপ্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রতি তাঁর যে ভালােবাসা প্রকাশ করেছেন সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর। সংকেত : ক) পরিবেশ সৃষ্টি খ) মানুষ সৃষ্টি গ) ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে পারস্পরিক ভালােবাসা ঘ) সৃষ্টির প্রতি দায়িত্বশীলতা

উত্তর : খুব শীঘ্রই দেওয়া হবে ।



Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url