ষষ্ঠ শ্রেণী ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১
ষষ্ঠ শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ | ৬ষ্ঠ শ্রেণী এসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাওশি) এর ওয়েবসাইট dshe.gov.bd -এ প্রকাশিত করা হয়েছে।কোভিড-১৯ এই মহামারির কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার মত উপযুক্ত পরিবেশ এখনো তৈরী না হওয়ার কারণে এখনও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়া পড়াশোনায় অব্যাহত রাখতে গত বছরের ন্যায় ২০২১ শিক্ষাবর্ষে ধারাবাহিকভাবে এ্যাসাইনমেন্ট/ নির্ধারিত কাজের মাধ্যমে মূল্যায়নের ব্যবস্থার নিদের্শ দেওয়া হয়েছে । চলুন, ষষ্ঠ শ্রেণীর ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
ষষ্ঠ শ্রেণীর এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১
৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে ২-৩টি বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন বা নির্দিষ্ট কাজ দেওয়া হয়ে থাকে।প্রতি সপ্তাহের শুরুতে মাউশির ওয়েবসাইটে এ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয় এবং এ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে সপ্তাহের শেষে জমা দিতে হবে । এভাবে ষষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট সম্পন্ন করা হবে।
ষষ্ঠ শ্রেণী ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১
ষষ্ঠ শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের নির্ধারিত কাজ প্রকাশ করা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইটে । এই সপ্তাহে তিনটি বিষয়ের উপর এ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছে
ষষ্ঠ শ্রেণী ইংরেজি এসাইনমেন্ট সমাধান
প্রশ্নঃ
Think of a situation when you did something brilliant and somebody congratulated you. Maybe you played or sang well or cooked something for your family or had a success somewhere. Now write about that experience.
In your writing, mention the following things.
1. What happened? 2. When it happened? 3. Who congratulated you? 4. How he/she congratulated (e.g.
what language was used) ? 5. How did you feel it?
Or Think of an unhappy situation when you were upset but somebody helped you overcome your bad time. In your writing, mention the following things:
1. What was the occurrence? 2. How did you feel? 3. Who consoled you? 4. What language he/she used? 5. How did he/she help you to overcome that situation?
উত্তরঃ উত্তর দেখুন
ষষ্ঠ শ্রেণী কৃষি শিক্ষা এসাইনমেন্ট সমাধান
প্রশ্নঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রিনা বেগম ২০২০ সালে নিকলী উপজেলায় অনুষ্ঠিত ‘কৃষি মেলা’ দেখতে যান। তিনি মেলায় প্রদর্শিত কৃষি জাত পণ্য, বিভিন্ন ফসলের নানা জাতের চারা ও গাছের উন্নত ফলন। দেখে কৃষি কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজের পৈত্রিক জমিতে কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী হন। কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে রিনা বেগম অভিজ্ঞ কৃষক, কৃষি মেলা, কৃষি শিক্ষা, কৃষি গবেষণা, কৃষি তথ্য ও সেবা প্রাপ্তির উৎসগুলাে কীভাবে কাজে লাগাবেন?
উত্তর :
১। রীনা বেগম কৃষি মেলায় কীকীকৃষিজাত পণ্য দেখতে পেয়েছিলেন?
রীনা বেগম ২০২০ সালে নিকলী উপজেলায় অনুষ্ঠিত “কৃষি মেলা” বিভিন্ন ধরনের পণ্য দেখতে পেয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলাে বিভিন্ন প্রকার ফল যেমন- আম, কাঠাল, জাম, লিচু, ডাব,কলা এছাড়া তিনি প্রান্তিক পর্যায়ে চাষীদের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার শাক সবজি যেমন- চাল কুমড়া, মিষ্টি কুমড়া, বেগুন, শশা, আলু, ওল কচু, করােলা, ঢেড়স ইত্যাদি কৃষিজাত পণ্য রীনা বেগম উক্ত কৃষি মেলায় দেখতে পেয়েছিলেন।
২। তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য কাদের নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন?
রীনা বেগম ২০২০ সালের ‘কৃষি মেলা থেকে কৃষি জাত পণ্য, বিভিন্ন ফসলের নানা জাতের চারা ও গাছের উন্নত ফলন দেখে কৃষি কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজের পৈত্রিক জমিতে কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী হন। তার এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য যাদের নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন তা নিচে আলােচনা করা হলােঃ
অভিজ্ঞ কৃষকঃ রীনা বেগম তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের করতে এলাকার অভিজ্ঞ কৃষকদের নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা নিতে পারেন। কেননা অভিজ্ঞ কৃষকরা তাদের বহু দিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।তাদের এই কৃষিকাজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রয়ােজনীয় ভাল মন্দ তথ্য ও সেবা প্রদান করতে পারে। কেননা এভাবেই তারা তাদের কৃষিকাজের অতীত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগায় ভাল ফসল উৎপাদন করতে পারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাঃ রীনা বেগম তার কৃষি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার নিকট থেকে প্রয়ােজনীয় যে কোন তথ্য ও সেবা পেতে পারেন। উপজেলা কৃষি উন্নয়ন কর্মকর্তাগণ সব সময় গ্রাম বা শহরের সকল প্রান্তিক কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নের জন্য সর্বদা চেষ্টা করে থাকেন। তাই তাদের নিকট থেকে সকল ধরনের তথ্য ও সেবা পাওয়া যায় খুব সহজে। এবং সেই তথ্য ও সেবাগুলাে অবশ্যই বিজ্ঞানসম্মত হয়ে থাকে।
উঠান বৈঠকঃ কৃষি সম্পর্কিত বিভিন্ন উঠান বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি সম্পর্কে বিভিন্ন প্রকার প্রয়ােজনীয় তথ্য প্রদান করা হয়ে থাকে। এটা একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। এসব বৈঠকে কিভাবে ভালাে ফসল পাওয়া যায়, কিভাবে উন্নত জাতের চারা উদ্ভাবন করা হয়, এছাড়া ফসলের যত্ন কিভাবে নিতে হয়, কোন ফসলে কি ওষুধ দিতে হয় এসকল বিষয় নিয়ে আলােচনা করা হয়। ফলে রীনা বেগম উঠান বৈঠকের মাধ্যমে তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন।
কৃষি উপসহকারী থেকে তথ্যঃ উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রত্যেক গ্রামে বা ইউনিয়নে একজন কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাগণ দায়িত্বে থাকেন। তাদের মাধ্যমে অর্থাৎ কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে রীনা বেগম তার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রয়ােজনীয় তথ্য ও সেবা পেতে পারেন।
৩। কৃষি বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ ও গবেষণা করতে কোন কোন প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখতে পারে?
কৃষি বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ ও গবেষনা করতে যে সকল প্রতিষ্ঠান ভূমিকা রাখে সেগুলাে হলাে-
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ঢাকা।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট, ঢাকা
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, ময়মনসিংহ
বাংলাদেশ সুপারগ্রুপ (ইক্ষু) গবেষণা ইন্সটিটিউট, ইশ্বরদী,পাবনা
মৃত্তিকা সম্পদ ইন্সটিটিউট, ঢাকা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট, ময়মনসিংহ
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট, সাভার, ঢাকা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট, মৌলভীবাজার
বাংলাদেশ রেশম গবেষণা প্রশিক্ষণ ও ইন্সটিটিউটর, রাজশাহী
৪। একজন অভিজ্ঞ কৃষক কীভাবে রীনা বেগমকে সহায়তা করতে পারে?
একজন অভিজ্ঞ কৃষক যেভাবে রীনা বেগমকে সহায়তা করতে পারে তা নিচে আলােচনা করা হলােঃ | একজন অভিজ্ঞ কৃষক বলতে আমরা বুঝি যিনি দীর্ঘকাল ধরে কৃষি কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন এবং যার সব বিষয় ধারণা রয়েছে। এবং ফসল উৎপাদনে প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছেন। একজন অভিজ্ঞ কৃষক দীর্ঘকাল ধরে কৃষি কাজের সাথে যুক্ত থাকার ফলে তিনি বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন তা হলাে- কোন সময়ে কোন ফসল ভালাে হয়, উন্নতমানের ফসলের বীজ, সার ও জাত সম্পর্কে তিনি যথেষ্ঠ ধারনার অধিকারী। এসকল বিষয় বা অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি কৃষিকাজ করে সবসময় সফলতা পেয়েছেন। অপরদিকে রীনা বেগম যেহেতু সম্প্রতি কৃষি মেলা থেকে কৃষিজাত পণ্য, বিভিন্ন ফসলের নানা জাতের চারা ও গাছের উন্নত ফলন দেখে কৃষি কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নিজের পৈত্রিক জমিতে কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতে আগ্রহী হন তাই রীনা বেগমের ক্ষেতে কৃষি কাজের অভিজ্ঞতা নাই। তাই একজন অভিজ্ঞ কৃষক রীনা বেগমকে কৃষি কাজে সব ধরনের সহায়তা করতে পারেন। একজন অভিজ্ঞ কৃষকের মাধ্যমে রীনা বেগম জানতে পারেন কোন সময়ে কোন ধরনের ফসল ভালাে জন্মে, সেই ফসলের রােগ থেকে কিভাবে ফসলকে রােগমুক্ত রাখা যায়, পােকার আক্রমন থেকে কিভাবে ফসল ভালাে রাখা যায় এবং ফসলের উন্নত জাত, বীজ, সার সম্পর্কে রীনা বেগম একজন অভিজ্ঞ কৃষকের নিকট থেকে প্রাপ্ত সকল ধারনার মাধ্যমে রীনা বেগম সহায়তা লাভ করতে পারেন। এবং কৃষি তে ভাল ফসল উৎপাদন করতে পারেন।
৫) একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানীকে তুমি কীভাবে আলাদা করবে?
উত্তরঃ একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানীকে আমি কীভাবে আলাদা করবে তার উপায় নিচে আলােচনা করা হলঃ একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানী এক নয় তাদের মধ্যে অনেক বড় পার্থক্য রযেছে। কেননা একজন কৃষক সারাবেলা কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকেন। ফসলের জন্য কোন উপাদান কি পরিমাণে লাগবে কিংবা সঠিক সময়ে ফসলের সঠিক যত্ন কিভাবে নিতে হবে ইত্যাদি সম্পর্কে ভালাে ধারণা রাখতে পারেন। তাই তাকে ফসলের বিভিন্ন প্রকার সমস্যা সমাধানের জন্য কারাে নিকট তাকে যেতে হয়।
পক্ষান্তরে, কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে যিনি গবেষণা করে নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন তিনি হলেন কৃষি বিজ্ঞানী। তিনি একটি ফসলের জীবনচক্র সুন্দভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন এবং তার নিকট কৃষি বিষয়ক নানা প্রকার তথ্য পুঞ্জিভূত থাকে। তারা নতুন ফসল ও প্রাণির উন্নতকাত উৎপাদন ও সংরক্ষণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করে দেশের কল্যাণ সাধন করছেন।
উপরােক্তভাবে আমি একজন কৃষক ও একজন কৃষি বিজ্ঞানীকে আলাদা করতে পারবাে।
ষষ্ঠ শ্রেণী গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান
প্রশ্নঃ
১। শিশুর বয়সের উপর ভিত্তি করে শিশুকালের বিভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। নিম্নোক্ত ছকে নাম অনুযায়ী শিশুকালের বয়সসীমা এবং তাদের বৈশিষ্ট্য লিখ।
তুমি কী সব বয়সের শিশুর সাথে একই ধরনের আচরণ করবে? যুক্তি দিয়ে বােঝাও।
উত্তর
শিশুর বিকাশের নমুনায় কতগুলো ধাপ বা পর্যায় আছে: জন্মমুহূর্ত হতে পরিণতি বয়সে উত্তির্ণ হওয়া পর্যন্ত সময়কে বয়স ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কতগুলো ধাপে বিভক্ত করা হয়েছে।
শিশুর বেড়ে উঠার প্রত্যেক ধাপের যেমন নিজস্ব বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে তেমনি বিভিন্ন ধাপের বিকাশমূলক কাজও ভিন্ন রকম হয়ে থাকে। মনোবিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন বয়সের বৈশিষ্ট্য ও বিকাশমূলক পরিবর্তনের ধারা অনুযায়ী প্রত্যেক শিশুর জন্মমুহূর্ত থেকে বয়ঃসন্ধিক্ষণ পর্যন্ত এবং মৃত্যু পর্যন্ত বয়সকে কতগুলো ভাগে বিভক্ত করেছেন:-
প্রত্যেক শিশুর বয়সের উপর ভিত্তি করে শিশুকালের বিভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে। নিম্নোক্ত ছকে নাম অনুযায়ী শিশুকালের বয়সসীমা এবং তাদের বৈশিষ্ট্য দেওয়া হল
| শিশুকালের নাম | বয়স সীমা | বৈশিষ্ট্য |
| নবজাতককাল | ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকে ২ সপ্তাহ বা ১৪ দিন | ১. প্রতিদিন ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা ঘুমায়। ২. দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর ঘুম থেকে জেগে উঠে, ৩. ঠোঁটের কাছে কিছু রাখলে চুষে খেতে চায়, ৪. হঠাৎ কোন শব্দ হলে শিশুর চমকে উঠে, ৫. মলমূত্র ত্যাগের পর আবার ঘুমায়,
|
| অতি শৈশবকাল | ২ সপ্তাহ থেকে ২ বছর | ১.শিশুর বিকাশ দূরত্ব হয়, ২.শিশু হাঁটতে পারে, ৩.শিশু কথা বলতে শিখে, ৪.শিশুর ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পায়, ৫.শিশু খেলাধুলা করে, |
| প্রারম্ভিক শৈশব | ২ বছর থেকে ৬ বছর | ১.শিশু অনেক বেশি প্রশ্ন করে, ২.শিশু স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়, ৩. শিশু অনেক বেশি শিখতে চাই, ৪.শিশু প্রচুর পরিমাণে কথা বলে, |
| মধ্য শৈশব | ৬ বছর থেকে ১০ বছর | ১.শিশুর শারীরিক বিকাশ ধীর গতিতে চলে, ২.সকল শিশু স্কুলে যায়, ৩.শিশুদের মধ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষতা তৈরি হয়, ৪.নিজের কাজ নিজে করতে চায়, ৫.বন্ধুসভাব বৃদ্ধি পায়,
|
এর উত্তর হলঃ হ্যা, কারন বিভিন্ন বয়সের শিশুর সাথে শিশুর মধ্যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য পার্থক্য থাকলেও সকলেই শিশু।যেকোন বয়সের শিশু হোক না কেন তাদের সাথে আমি যদি ভাল আচরণ করি তাহলে তারা ছোট হোক বা বড় হোক সকলের সাথে ভালো আচরণ করবে।কিন্তু আমরা যদি কম বয়সী শিশুদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করি কিন্তু বেশি বয়সের শিশুদের তেমন আচারণ না করি, আর বড় শিশুরা ভুল করলে তা শুধরে না দিয়ে শাসন করি।তাহলে তাদের মন মানসিকতা ভেঙে যাবে, যার ফলে তাদের নানা রকমের বিপদের বা খারাপ কাজে জরিয়ে পরবে । এতে সমস্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। তাই শিশুরা ছোট হোক বা বড় আমি সবার সাথে সবসময় ভাল ব্যবহার করবো।
তাই আমাদের সকলের উচিত সকল শিশুদের সাথে ভালো আচরণ প্রদশণ করা।আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ তাহলে সব শিশুরা একদিন দেশের নাম সারা বিশ্বে উজ্জ্বল করবে।
