অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ -Class Eight 3rd week assignment solution 2021

 

অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ -Class Eight 3rd week assignment solution 2021

অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ -Class Eight 3rd week assignment solution 2021





প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, কোভিড ১৯ এর মহামারির কারণে সকল ছাত্র ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ রয়েছে।  তোমাদের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে গত বছরের মত এই বছর ও তোমাদের জন্য ধারাবাহিক এ্যাসাইনমেন্ট এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।  মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর গ্রিক অনুযায়ী ৩য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন প্রকাশ করা হয়েছে তাদের ওয়েবসাইটে। এ্যাসাইনমেন্ট এর প্রশ্ন তোমরা অনেকেই  হাতে পেয়েছো। আজকে আমরা অষ্টম শ্রেণির ৩য় সপ্তাহে যে তিনটি বিষয় দেওয়া হয়েছে ওই তিনটি বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট এর  উত্তর জানবো। 

প্রিয় অষ্টম শ্রেণি শিক্ষার্থীরা, তোমরা নিশ্চয় ৩য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্নের কপি সংগ্রহ করে ফেলেছো তোমাদের স্কুল থেকে। যারা এখনো করনাই ইচ্ছা হলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে তোমরা ডাউনলোড করতে পারবে। 

আরো পড়ুন



অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের কৃষি শিক্ষা  অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১-Class 8 3rd week Agriculture  assignment solution 2021



কৃষি শিক্ষা প্রশ্নপত্র 





সমাধানঃ

কৃষি শিক্ষা সমাধান

রুমির বাবা একজন কৃষি বিজ্ঞানী। তিনি মিষ্টি ও উচ্চফলনশীল আমের একটি জাত উদ্ভাবন করেন যা বারি-৪ নামে মাঠ পর্যায়ে সফলভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। গত ১৬ই ডিসেম্বর ২০২০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর এই অবদানের জন্য তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদক প্রদান করে সম্মানিত করেন। রুমির বাবার এমন সম্মান প্রাপ্তির পিছনে নিম্নলিখিত বিষয়গুলাে তার মনে যে আলােড়ন সৃষ্টি করেছে সে ব্যাপারে তােমার সুচিন্তিত মতামত উল্লেখ কর?

উত্তর -১ঃ
ধান, পাট, গম, আখ , চাষযােগ্য কৈ মাছ , মিষ্টি জাতের আম , মাল্টা ইত্যাদি উদ্ভাবনে নিরলস পরিশ্রম ও গবেষণায় অনস্বীকার্য অবদান  রয়েছে কৃষিবিজ্ঞানীদের । তাছাড়া ৮৮ টি ইনব্রিড ও ৬ টি উচ্চফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট।  বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৮ টি গুরুত্বপূর্ণ ফসলের মােট ১০৮ টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছে পরমাণু শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এবং দেশের কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রেখে চলছে।

উত্তর-২ঃ
 আমাদের দেশের বিভিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন  ফসলের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে। । কৃষিতে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য  উন্নত দেশের মতাে আমাদের উন্নয়নশীল  দেশেও রয়েছে বিভিন্ন  গবেষণা  ইনস্টিটিউট । এসব ইনস্টিটিউট ও প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা ও নতুন কিছু উদ্ভাবনের মাধ্যমে  উল্লেখযােগ্য অবদান রেখে চলেছেন। কৃষির জন্য বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট। যেই প্রতিষঠানটি প্রায় ১০৩ টিরও বেশি ফসলের কৃষি বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত । বর্তমানে  আমাদের বাংলাদেশে চারটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি পূর্ণাঙ্গ ভেটেরিনারি    বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে। প্রায় সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি বিজ্ঞান পড়ানাের পাশাপাশি  গবেষণা করে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষকগণ। গবেষণায় প্রাপ্ত উন্নত জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে কৃষকদেরকে অবহিত করে থাকেন কৃষি  সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা। 

উত্তর-৩ঃ
প্রতিকূল ও অপ্রতিকূল পরিবেশে উপযোগী উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সবচেয়ে বড় অর্জন ।এ পর্যন্ত মোট ১০৬ টি (৯৯ টি ইনব্রিড ও ৭ টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট।তন্মধ্যে, বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে ' কিরণ 'ও 'দিশারি’ নামের দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট। 

উত্তর-৪ঃ 
বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা ধানছাড়াও অন্যান্য জাত উদ্ভাবন করেছেন- যা কৃষকেরা মাঠে চাষাবাদ করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। নিম্নে সেই সকল জাতের  বর্ণনা করা হলঃ
 ফুলের পরাগায়নের সময় পিতৃগাছের গুণাগুণ যুক্ত হওয়ার সুযােগ থাকে কিন্তু অঙ্গজ প্রজননে সেই সুযোগের সম্ভাবনা  থাকে না বললেই চলে। ফসলের বীজ ও নতুন নতুন জাত উন্নয়ন , বীজ সংরক্ষণ, রােগ-বালাইয়ের কারণ সনাক্তকরণ, ফসলের পুষ্টিমান বাড়ানাে- এ সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজই কৃষিবিজ্ঞানীরা করে থাকেন। কৃষকেরা কলা, আম, লিচু, কমলা , গােলাপ ইত্যাদির উৎপাদনে অঙ্গজ প্রজনন ব্যবহার করে থাকেন কৃষিবিজ্ঞানীদের পরামর্শেই। উচ্চ ফলনশীল ধান, গম, ভুট্টা, যব এইসব শস্যের উৎপাদনশীলতা আগের তুলনায় অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে কেবল কৃষিবিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো কৃষকেরা গ্রহন করেছে বলে।নানা ধরনের ফুল, ফল , শাকসবজি ও বৃক্ষ বিদেশ থেকে এনে এদেশের কৃষিতে সংযােজন করেছেন বাংলাদেশের কৃষিবিজ্ঞানীরা। এগুলােতে সংকরায়ন পদ্ধতি প্রয়োগ করে দেশীয় পরিবেশে সহনীয় নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন যেগুলাে এ দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ।

উত্তর-৫ঃ
কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য অতুলনীয়  । বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি হলো । জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি আমাদের সার্বিক উন্নয়নে কৃষি  ওতপ্রােতভাবে জড়িত। তাই বলা বাহুল্য যে,কষির উন্নয়ন মানে দেশের সার্বিক উন্নয়ন। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ । আমাদের এই বাংলাদেশে শতকরা ৭৫ ভাগ লােক গ্রামে বাস করে। বাংলাদেশের গ্রাম ও শহরে যথাক্রমে ৫৯.৮৪%  ও ১০.৮১ % লােকের কৃষিখামার রয়েছে। বাংলাদেশের জিডিপিতে অর্থাৎ,মােট দেশজ উৎপাদন কৃষিখাতের অবদান ১৯.১% এবং ৪৮.১% মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে কৃষিখাতের মাধ্যমে। ধান, পাট, তুলা , আখ, ফুল ও রেশমগুটির চাষসহ বাগান সম্প্রসারণ , মাছ চাষ , সবজি চাষাবাদ ও পােস্টি, ডেইরী ও মৎস্য খামার করে মানুষ দিন দিন সহায় সম্বলহীন মানুষগুলোও স্বাবলম্বী হয়ে উঠতেছে। ।  বর্তমানে আমাদের দেশে পােষ্ট্রি একটি শিল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বাজারে মাছের একটা বড় অংশ এখন আসছে চাষকৃত মাছ থেকে। বর্তমানে ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ ।
অন্যদিকে নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। আলু উৎপাদনে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত এবং বিশ্বে অবস্থান সপ্তম ।অপরদিকে  দেশে ফল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশর অবস্থান বর্তমানে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম ।গ্রামীণ মানুষের জীবনধারায় পরিবর্তন এনেছে কৃষি উৎপাদনের এই অগ্রগতি ।  উৎপাদনে যেমন বেড়েছে বৈচিত্র্যতা, সেই সাথে বেড়েছে প্রতিযােগীতা।ঠিক একই সাথে বেড়েছে পুঁজির ব্যবহার । বর্তমানে মাছি, মুরগি ও ডিম উৎপাদন প্রায় শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে । তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, এ সমস্ত কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে বেকার মানুষের কৃষিক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।


অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের গার্হস্থ্য বিজ্ঞান   অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১-Class 8 3rd week domestic science assignment solution 2021



গার্হস্থ্য বিজ্ঞান প্রশ্নপত্র 




গার্হস্থ্য বিজ্ঞান সমাধানঃ

বর্তমান কোভিড-১৯। পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তুমি সারাদিন বাসায় অবস্থান করছাে। সময় তালিকা | প্রণয়ন করে লেখা-পড়া ও অন্যান্য কাজ-কর্ম করা উচিত। তাই এ পরিস্থিতিতে তােমার দৈনন্দিন কাজকর্ম কীভাবে করছ ?

উত্তরঃ  একদিকে সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশী। আবার  অপর দিকে জীবনকে সুন্দর ভাবে সাজাতে সময়ের প্রয়ােজন অনস্বীকার্য। মানবজীবনে সময় এমনই একটি সম্পদ, যা সবার জন্য সমান এবং সীমিত। আর এই সীমিত সম্পদের মধ্যেই যে ব্যক্তি যত বেশি অর্থবহ কাজ দিয়ে নিজেকে সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারবে, সে ব্যক্তিই জীবনে ততাে বেশি সফলকাম হবে। সময়ের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমেই  মানুষ ব্যক্তিগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
আমরা জানি যে দৈনিক আমাদের জন্য ২৪ ঘন্টা সময় বরাদ্দ রয়েছে। কোন ভাবেই এই সীমিত সময়টুকু বাড়ানাে সম্ভব নয়। যদিও চাহিদা আর ইচ্ছা অনুযায়ী আমাদের অনেক কাজ করার থাকে । আর সেই জন্যই সময়ের সদ্ব্যবহার এর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।কম সময় ব্যয় করে বেশি কাজ করা এবং সময়ের অপচয় না করাই আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিৎ। আর সেদিকের প্রতি দৃষ্টি রেখেই  আমাদের সময়ের পরিকল্পনা করা প্রযােজন। একদিনে আমরা কি কি কাজ করব , কখন কী কাজ করব , নির্দিষ্ট করে কোন কাজে কতটুকু সময় ব্যয় করবাে ইত্যাদির সমন্বয়ে একটি লিখিত পরিকল্পনা বা সময়-তালিকা প্রণয়ন করা হয়।




আমার সারাদিনের কর্মকাণ্ডের জন্য একটি সময় তালিকা প্রণয়ন করা হলােঃ

সকাল 

৫:০০ টায় – ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।

৫:২০ টায় – প্রার্থনা করা।

৫:৪০ টায় – হালকা নাস্তা করা।

৬:০০ টায় – শরীরচর্চা করা।

৬:৩০ টায় – পড়তে বসা (গণিত, বিজ্ঞান পড়া )

৮:৩০ টায় – সকালের নাস্তা করা

৯:৩০ টায় – ঘরের কাজে সহায়তা করা, ঘর গােছানাে।

১০:৩০ টায় – গাছ-গাছড়ার পরিচর্যা করা, গাছে পানি দেয়া।

১১:৩০ টায় – গােসল করা।

দুপুর

১২:০০ টায় – দুপুরের খাবার খাওয়া।

১২:৩০ টায় – বিশ্রাম নেয়া।

১:০০ টায় – প্রার্থনা করা।

১:৩০ টায় – বিশ্রাম ( ঘুমানাে

৩:৩০ টায় – পড়তে বসা (ইংরেজি)।

বিকাল

 ৪:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।

৫:০০ টায় – খেলাধুলা করা।

সন্ধ্যা

৬:০০ টায় – প্রার্থনা করা।

৬:২০ টায় – হালকা নাস্তা করা।

রাত
৬:৩০ টায় – পড়তে বসা ( বাংলা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় )।

৮:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।

৯:০০ টায় – রাতের খাবার খাওয়া।

৯:৩০ টায়:– পড়তে বসা ( বাকি বিষয়গুলো)

১০:৩০ টায় – টেলিভিশন দেখা। 

১১:৩০ টায় – ঘুমাতে যাওয়া। ছয়



সারাদিনের কর্মকাণ্ডের সময় তালিকা প্রণয়ন এর প্রয়ােজনীয়তা ও বিবেচ্য বিষয় সময় তালিকার প্রয়ােজনীয়তাঃ

প্রথমতঃ করণীয় কাজ সম্পর্কে ভালো ধারণা হয়। কোন কাজগুলাে বেশি এবং কোন কাজগুলাে কম প্রযােজনীয় সে সম্বন্ধে সঠিক ধারণা লাভ করা যায়।

দ্বিতীয়তঃ প্রত্যহ সময়মতাে কাজ করার অভ্যাস গড়ে উঠে। প্রতিটি কাজের সময় নির্ধারিত
থাকে বলে সময়ের কাজ সময়ে সম্পন্ন করার অভ্যাস গড়ে ওঠে।

তৃতীয়তঃ প্রতিটা কাজে কতটুকু সময় ব্যয় হয় তার সঠিক ও প্রকৃত ধারণা জন্মে।

চতুর্থতঃ দৈনন্দিন কাজের দক্ষতা ও গতিশীলতা বাড়ে। সময়ের তালিকা অনুসরণ করে প্রতিটি কাজ করলে সময়ের কাজ সময়ে শেষ হয়ে যায়। বাড়তি সময়ে বিভিন্ন রকম সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানোর সুযােগ পাওয়া যায়।

পঞ্চমতঃ বিশ্রাম, অবসর ও বিনােদন করারও পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়।  কারণ, সময় তালিকায় কাজ, বিশ্রাম ও অবসর বিনােদনের ব্যবস্থা অবশ্যই থাকে।

প্রকৃতপক্ষে,ছােটবেলা থেকে আমাদের সবারই সময়ের প্রতি যত্নবান হওয়া অত্যন্ত জরুরী । সময় মতাে সব কাজ করলে আজকের কাজ আগামীকালের জন্য রয়ে যায় না। ফলে প্রতিদিনের প্রয়ােজনীয় কাজগুলাে সহজেই সম্পন্ন করা যায়। উদাহরণস্বরূপ - ছাত্রছাত্রীরা যদি প্রতিদিনের পড়শোনা প্রতিদিন সময়মতো সম্পন্ন করে, তাহলে সে খুব সহজে জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারবে। আর যে সময় মত পড়ালেখা করে না, পরীক্ষার পূর্বমূহুর্তে পড়াগুলো তার
কাছে বােঝা মনে হবে । সময় মত পড়ালেখা সম্পন্ন করে না কারণেই তখন   তখন এই  সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

সময় তালিকা করার সময় কিছু বিষয় বিবেচনায় আনতে হয় যেমনঃ

১) দৈনিক করণীয় কাজ গুলােকে নির্ধারণ করতে হবে এবং  গুরুত্ব অনুসারে কাজের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

২) যৌথভাবে কোনো কাজ সম্পন্ন করতে হলে অবশ্যই অন্যের সুবিধা-অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৩) আর সময় তালিকায় অবশ্যই কাজের সময়ের পাশাপাশি বিশ্রাম ও অবসরের  সময় রাখতেই  হবে।

৪) একটা কঠিন বা ভারী কাজের পর হালকা কাজ করা  বা বিশ্রাম নেওয়া উচিত।



অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের গণিত  অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১-Class 8 3rd week math assignment solution 2021



গণিত প্রশ্নপত্র 


অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের গণিত  অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১-Class 8 3rd week math assignment solution 2021



গণিত সমাধানঃ

জ্যামিতিক চিত্রগুলাে সমান দৈর্ঘ্যের রেখাংশ দিয়ে তৈরি করা একটি প্যাটার্ন। |

(ক) প্যাটার্নের চতুর্থ চিত্রটি তৈরি করে রেখাংশের সংখ্যা নির্ণয় কর।

(খ) উল্লেখিত প্যাটার্নটি কোন বীজ গণিতীয় রাশিকে সমর্থন করে তা যুক্তিসহ উপস্থাপন কর।

(গ) উল্লেখিত প্যাটার্নটির প্রথম ২০টি চিত্র তৈরি করতে মােট কতটি রেখাংশ দরকার হবে- তা নির্ণয় কর।


উত্তরঃ


অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের গণিত  অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১-Class 8 3rd week math assignment solution 2021


অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের গণিত  অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১-Class 8 3rd week math assignment solution 2021

অষ্টম শ্রেণি তৃতীয় সপ্তাহের গণিত  অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১-Class 8 3rd week math assignment solution 2021





এ্যাসাইনমেন্ট সমাপ্ত

প্রিয় বন্ধুরা!  এস্যাইনমেন্ট বুঝতে যদি সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে।

নাহয় আমাদের ফেসবুক গ্রুপে তোমার সমস্যার কথা জানাতে পারো। ধন্যবাদ 






Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url