প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আশা করি তোমরা ভালই আছো।
সামপ্রতিক মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষা সমাপ্ত হয়েছে তাই অনেকের মন খারাপ সুযোগ না হওয়ায়। তো বন্ধুরা মন খারাপের কিছু নেই মেডিকেলে চান্স হয়নি তো কি হয়েছে তাই বলে কি বসে থাকবে। তোমাদের জন্য এখনো অনেক বাকি আছে। যারা মেডিকেলে চান্স হয়নি তোমরা ইন্জিনিয়ারিং এ চেষ্টা করো ইনশাআল্লাহ তোমরা সফল হবে।
প্রিয় বন্ধুরা সামপ্রতিক ইন্জিনিয়ারিং এর জন্য সব থেকে বড় বা বাংলাদেশের মধ্যে সেরা বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট তাদের ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আজ আমরা বিস্তারিত আলোচনা করবো।
কোভিড-১৯ সংক্রান্ত বৈশ্বিক মহামারীর কারণে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা স্বাস্থ্য বিধি মেনে প্রাক-নির্বাচনী ও মূল ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এ প্রেক্ষিতে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা চারটি শিফটে গ্রহণ করা হবে। প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত আবেদনকারীদের মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযােগ প্রদান করা হবে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের বিভিন্ন বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফরমে দরখাস্ত আহ্বান করা যাচ্ছে।
যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ২০১৭ বা ২০১৮ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, অথবা ২০১৭ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষার সংশােধিত ফলাফল ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখের পরে শিক্ষা বাের্ড থেকে প্রকাশিত হয়েছে, অথবা ২০১৬ সালের নভেম্বর বা তার পরে GCE “O”লেভেল এবং ২০১৯ সালের নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত যাঁরা GCE “A” লেভেল পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্ত হয়েছেন, অন্যান্য শর্তপূরণ সাপেক্ষে শুধুমাত্র তাঁরাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
যে সকল ছাত্র-ছাত্রী ইতােপূর্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন অথবা অংশগ্রহণের যােগ্যতা অর্জন করেছেন তারা এই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।
আরো পড়ুন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সমূহঃ
আবেদনের শুরুঃ ১৫ এপ্রিল ২০২১
আবেদন শেষঃ ২৪ এপ্রিল ২০২১
প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা পরিক্ষার তারিখঃ ৩০ জুন ও ০১ জুলাই ২০২১
চূড়ান্ত পরিক্ষার তারিখঃ ১০ জুলাই
ভর্তির ফিঃ
ক গ্রুপ এর জন্য ১০০০ টাকা
খ গ্রুপ এর জন্য ১২০০ টাকা
১। ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যােগ্যতা
প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বাের্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড/কারিগরি শিক্ষা বাের্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে বিজ্ঞান
বিভাগে (গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নসহ) ৫.০০ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল/সমমানের পরীক্ষায়
পাশ করতে হবে অথবা বিদেশী শিক্ষা বাের্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে।
প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বাের্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড/কারিগরি শিক্ষা বাের্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক/ আলীম/
সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিনটি বিষয়ে রেজিস্ট্রেশনসহ গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৫.০০
এবং মাধ্যমিক/দাখিল/সমমানের পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিনটি বিষয়ে ৩০০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ২৭০ নম্বর পেয়ে
মাধ্যমিক/দাখিল/সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা বিদেশী শিক্ষা বাের্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড/ নম্বর পেয়ে
পাশ করতে হবে।
যে সব প্রার্থী ২০১৭ সালে মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কিন্তু
উচ্চ মাধ্যমিক বা তার সমমানের পরীক্ষায় তাদের সংশােধিত ফলাফল ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখের পরে শিক্ষা বাের্ড থেকে প্রকাশিত হয়েছে,
সেক্ষেত্রে তাদেরকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বাের্ড। মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ড। কারিগরি শিক্ষা বাের্ড থেকে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, ও রসায়ন
এই তিনটি বিষয়ে ৬০০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ৪৮০ নম্বর পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/আলীম/সমমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হবে অথবা বিদেশী শিক্ষা
বাের্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড/ নম্বর পেয়ে পাশ করতে হবে।
সকল সঠিক আবেদনকারীর মধ্য হতে উপরে উল্লেখিত নির্ধারিত নম্বরের ভিত্তিতে বাছাই করে ১ম থেকে ২৪,০০০ তম পর্যন্ত সকল আবেদনকারীকে
প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে। এই বাছাইয়ের জন্য যথাক্রমে আবেদনকারীর মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও
রসায়ন বিষয় তিনটিতে প্রাপ্ত মােট নম্বর, গণিতে প্রাপ্ত নম্বর এবং পদার্থ বিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বরকে অগ্রাধিকারের ক্রম হিসাবে বিবেচনা করা হবে।
(খ) GCE “O” লেভেল এবং GCE “A” লেভেল পাশ করা প্রার্থীদের প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে
পাঁচটি বিষয় (গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজিসহ) এর প্রতিটিতে কমপক্ষে B গ্রেড এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ
বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিন বিষয়ের বিষয়ের প্রতিটিতে কমপক্ষে A গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে।
ন্যূনতম যােগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে GCE “O” লেভেল এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে প্রাক-নির্বাচনী
পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযােগ দেয়া হবে।
(গ) ন্যূনতম যােগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীভুক্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযােগ দেয়া হবে।
(ঘ) উপরােক্ত শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যােগ্য প্রার্থীদের চারটি শিফটে বিভক্ত করে পরীক্ষা নেয়া হবে।
(ঙ) পরিসংখ্যানভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রতিটি শিফটে প্রার্থীদের মেধার বিন্যাসের সমতুল্যতা নিশ্চিত করা হবে।
প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যােগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নােটিশ বাের্ডে এবং ওয়েবসাইট
(www.buet.ac.bd) -এ প্রকাশ করা হবে।
প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফলের মেধাক্রম অনুসারে ১ম থেকে ৬০০০তম (প্রতি শিফটের ১ম থেকে ১৫০০ তম) শিক্ষার্থীকে (মডিউল A এবং
মডিউল B সহ) মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করা হবে। মূল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যােগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের
তালিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নােটিশ বাের্ডে এবং ওয়েবসাইট (
www.buet.ac.bd) -এ প্রকাশ করা হবে।
২। আসন সংখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গােষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের জন্য প্রকৌশল বিভাগসমূহ ও নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মােট ৩টি এবং
স্থাপত্য বিভাগে ১টি সংরক্ষিত আসনসহ সর্বমােট আসন সংখ্যা ১২১৫ টি।
৩। আবেদন করার নিয়ম
আবেদন করার নিয়ম ভর্তির নির্দেশিকা (Guideline) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.buet.ac.bd)-এ পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটে প্রদত্ত নির্দেশনা
মাতাবেক আবেদন ফরম যথাযথভাবে পূরণ করে তা অনলাইনে Submit করতে হবে। Submit করা শেষে একটি Application Serial No. প্রদান করা
হবে এবং পরবর্তীতে এই নম্বরের বিপরীতে ‘সােনালী ব্যাংক অনলাইন পাের্টাল’, ‘সােনালী ব্যাংক Sonali esheba মােবাইল অ্যাপ’, নগদ, রকেট, NexusPay,
॥ বিকাশ মােবাইল/ অনলাইন ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষা বাবদ প্রদেয় ফি জমা দিতে হবে। অতঃপর আবেদনটি চূড়ান্তভাবে দাখিল (Final
submit) করতে হবে।
৪। ভর্তির আবেদন ও পরিক্ষার তারিখ
প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আরো বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি দেখুন
প্রিয় বন্ধুরা তোমাদের কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাতে পারো। ধন্যবাদ